শুক্রবার || ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ || ৯:১৯:৩৯ অপরাহ্ন

readers

আমার নতুন বাণিজ্যিক ব্রয়লার খামারের মুরগী পালনে সঠিক দিক নির্দেশনা প্রয়োজন

প্রকাশ: বুধবার || সেপ্টেম্বর ২৬ ২০১৮ || ৫:২৪:৩০ AM

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

আমি একজন নতুন খামারী। প্রতিষ্ঠানিক কোন ট্রেনিং এবং মুরগী পালন বিষয়ে বাস্তব কোন অভিজ্ঞতাও আমার ছিল না। সম্পূর্ন অনভিজ্ঞ অবস্থায় পোল্ট্রি ব্যবসায় নিজেকে নিয়োজিত করি। সাহায্যকারী হিসেবে যাকে সাথে রাখি সে ট্রেনিং প্রাপ্ত এবং অনেক অভিজ্ঞ। সম্পূর্নভাবে তার উপর নির্ভর করেই মূলতঃ এ ব্যবসা শুরু করি। আমার প্রথম লট শুরু হয় ২৬/১২/২০১৬ ইং তারিখে ঢাকার এক নামকরা হ্যাচারীর ১০০০ (এক হাজার) ব্রয়লার বাচ্চা দিয়ে। বাচ্চা ব্রুডারে ছড়ার পরপরই লক্ষ্য করি কিছু বাচ্চা বেশ দূর্বল। হাটাহটি করছে না, শুধু দাড়িয়ে ঝিমাচ্ছে। একদিন পরই দুর্বল বেশ কিছু বাচ্চা মারা গেল। ১ম লট শেষ করেছি আমি ৩২ দিনে এবং মুরগীর প্রয়োজনে যখন যে ঔষধ প্রয়োজন তা দেওয়া হয়েছে। তারপরও কাক্সিক্ষত রেজাল্ট আমি পাইনি। ৩২ দিন পর মুরগীর গড় ওজন হয়েছিল ১.৪ কেজি ও বিভিন্ন সময়ে মারা গিয়েছিল ১২১টি মুরগী। উক্ত ফার্মের এজেন্ট যিনি ছিলেন তাকে বলেও কোন কাজ হয়নি। বলা বাহুল্য, আমি খাবারও খাইয়েছি উক্ত হ্যাচারীর মালিকাধীন ফিড মিলের রেডি ফিড। আমার মনে হয়, উক্ত ফার্মের অভিজ্ঞ ডাক্তার যদি আমাদের এখানে থাকত তাহলে এত সমস্যা হত না। আমার দ্বিতীয় ব্যাচ শুরু হয় ২৭/০২/২০১৭ ইং তারিখে। ঢাকার অপর এক হ্যাচারী ফার্মের ৯০০ (নয় শত) ব্রয়লার বাচ্চা দিয়ে। প্রথম দিকে বাচ্চা ভালই ছিল। ১৪ দিনে গামবোরো ১ম ডোজ এবং ২১ দিনে ২য় ডোজ ভ্যাকসিন দেই। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় ভ্যাকসিন দেওয়ার পরদিনই আমার ফার্মের মুরগিগুলোকে গামবোরো এ্যাটাক করেছে। তিন দিনে ১৭২টি মুরগি মারা যায়। আমাদের ফেনীতে উক্ত ফার্মের নিয়োগকৃত ডাক্তার প্রায়ই ফার্মে আসতেন সাজেশন দিতেন প্রেসক্রিপশন করতেন। দ্বিতীয় ব্যাচেও প্রথম ব্যাচের মত ওজনের অসমতা লক্ষ্য করা যায়। ২০দিন পর দেখা যায় প্রায় ২০% বাচ্চা একেবারেই ছোট। উক্ত ফার্মের ডাক্তারের সাথে আলাপ করলে উনি বললেন, কিছু বাচ্চা এরকম থাকবেই। ২য় ব্যাচ আমি বিক্রি করি ৩০ দিনে। এখানেও আমি ভাল ফল পাইনি। গড় ওজন এসেছিল ১.৩ কেজি। গামবোরোর ধকল কাটিয়ে উঠার পরে বিভিন্ন ভিটামিন জাতীয় ঔষুধ দেওয়া হয়েছিল। তারপরও মুরগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়নি। দুইবারই আমার উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়ে গেছে। যার কারনে লস হয়েছে।  এখন আমি প্রস্তুত নিচ্ছি মুরগীর ঘর তৈরী করার জন্য এবং বড় আকারে শুরু করব নিয়মিতভাবে ব্রয়লার পালন করবো। তাই পোলট্রি খামার বিচিত্রা’র মাধ্যমে আমাকে যদি সঠিক দিক নিদের্শনা দিয়ে সাহায্য করেন তবে উপকৃত হব।



Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


61, Joarsahara (1st floor), Dhaka-1000
Copyright © 2017 monthly Poultry Khamar Bichitra. All Right Reserved.