শুক্রবার || ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ || ৯:০৯:১০ অপরাহ্ন

conference

মসিউর রহমান দম্পতির আয়োজনে পোল্ট্রি সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার || নভেম্বর ৭ ২০১৯ || ৪:১১:২০ PM

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

গত ২৬ অক্টোবার ২০১৯ শনিবার সন্ধ্যায় বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব মসিউর রহমান-এর গুলশানন্থ বাসভবনে দেশের পোল্ট্রি শিল্পাঙ্গনের সাথে সংশ্লিষ্ট নেতৃস্থানীয় পেশাজীবীদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)-এর সভাপতি এবং প্যারাগন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মসিউর রহমান এবং প্যারাগন গ্রুপের পরিচালক মিসেস ইয়াসমিন রহমান কর্তৃক আয়োজিত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে পেশাজীবীদের এই মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের পোল্ট্রি ও লাইভস্টক জগতের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তা ও পোল্ট্র্রি শিল্প সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো এই মিলন মেলা। প্যারাগন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মসিউর রহমান এবং তাঁর সহধর্মিনী মিসেস ইয়াসমিন রহমানের আন্তরিক আতিথেয়তায় মুগ্ধ হলেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের বেশ আগে থেকেই অতিথিরা আসতে শুরু করেন। বাংলাদেশ পোল্ট্র্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) সভাপতি জনাব মসিউর রহমানের গুলশানস্থ বাসভবনের ছাদে বসেই শুরু হয় আড্ডা।

শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি আর বাহারি পদের খাবারের সমাগমে ক্রমেই জমে উঠতে থাকে এই মিলন মেলা। শুধু খাওয়া কিংবা আড্ডাই নয়, সেই সাথে চলতে থাকে নানা ধরনের আলোচনা ও পর্যালোচনা। দেশীয় পোল্ট্র্রি শিল্পের হালহকিকত, বিদ্যমান সমস্যা, আগামী দিনের পোল্ট্র্রি শিল্প, নতুন নতুন বিনিয়োগ- কোন কিছুই যেন বাদ যায়নি। কেউ কেউ এরই ফাঁকে সেরে ফেলেছেন ব্যবসায়িক আলোচনাও। রাত ৯টার দিকে আড্ডায় ছেদ পড়ে। সকলেই সমবেত হন ৫ তলার পার্টি ফ্লোরে।

সেখানে শুরু হয় ভিন্নধর্মী একটি আয়োজন। এই ভিন্নধর্মী আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্যেশে  জনাব মসিউর রহমান বলেন, একটা কঠিন সময় পার করছে বাংলাদেশের পোল্ট্র্রি শিল্প। বিগত সময়ে মাঠ পর্যায়ে ডিম খামারিরা লোকসান গুনেছেন। অনেকেই খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। এর পরপরই কমে গেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাচ্চা বিক্রি করে উৎপাদন খরচের টাকাটাও ঘরে তোলা যাচ্ছেনা। ফিড মিলগুলোর বিশাল অংকের টাকা আটকে গেছে। জনাব মসিউর বলেন, পোল্ট্র্রি শিল্প এদেশের  মানুষের জন্য প্রাণিজ আমিষের যোগান দিয়ে চলেছে কিন্তু তাঁদের মূল্যায়ন করার পরিবর্তে কর ও শুল্কের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। নীতি-নির্ধারকদের কাছে হয়ত এমন মনে হচ্ছে যে, পোল্ট্র্রি সেক্টরের কোন সমস্যা নেই, তাই তাদের নিয়ে ভাবনারও কোন দরকার নেই।

তিনি বলেন, পোল্ট্র্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, ইচ্ছা-অনিচ্ছার উর্ধ্বে উঠে একসাথে কাজ করতে হবে। পোল্ট্র্রি পণ্যের প্রমোশন, মার্কেট জরিপ ও গবেষণা কাজে, এডভোকেসি ও লবিং-এর জন্য প্রফেশনালস ও বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগাতে হবে; এজন্য প্রচুর অর্থেরও প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের পক্ষ থেকে মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রইছ উদ্দিন মন্ডল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ লুৎফুল হাসান,  ডিএলএস-এর মহাপরিচালক ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক, বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ডঃ  নাথুরাম সরকার  প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মসিউর রহমান দম্পতির বাসভবন থেকে ফিরে কামাল আহম্মদ/ লুবনা জাহান, 

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


61, Joarsahara (1st floor), Dhaka-1000
Copyright © 2017 monthly Poultry Khamar Bichitra. All Right Reserved.