শুক্রবার || ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ || ১০:৪১:৫৫ অপরাহ্ন

interview

দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তার জন্য অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানীগুলোকে সুরক্ষা দিতে হবে

প্রকাশ: সোমবার || মার্চ ১১ ২০১৯ || ১:২৪:৪৬ PM

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

প্রোটিন ছাড়া মানুষের শরীর স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করতে পারেনা। তাই আমাদের প্রোটিন গ্রহণ করতেই হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী মানবদেহের শক্তির ১০ থেকে ১৫ শতাংশ আসা উচিত আমিষ জাতীয় খাদ্য থেকে। আর এই আমিষের ২০ শতাংশ আসতে হবে প্রাণিজ আমিষ থেকে। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই এই আমিষের ৫০ শতাংশ আসে প্রাণিজ আমিষ থেকে। আমাদের দেশে প্রোটিন ইনটেকের পরিমান অনেক কম এবং প্রাণিজ প্রোটিনের ইনটেক আরও কম। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- বাংলাদেশে বর্তমানে অত্যন্ত উন্নতমানের পোল্ট্রি ও ফিস ফিড উৎপাদিত হচ্ছে। ‘দেশের মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানী গুলোকে সুরক্ষা দিতে হবে।’ তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল সুরক্ষা দেয়ার প্রকৃতিক হবে এবং কারাইবা এ সুরক্ষা প্রদান করবে। চটপট জবাব দিলেন জনাব এ কে এম সাঈদ সরোয়ার লিটু। বললেন, সরকার জনগনের কল্যানের জন্য জন্য কাজ করে থাকে। 
সরকারেরই এ সুরক্ষা দিতে হবে, যাতে দেশে মানসম্পন্ন প্রাণিজ প্রোটিণ উৎপাদন করে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। অবশ্য শুধু প্রানিজ প্রোটিন উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না।এটি একটি সমষ্টিগত চলমান প্রক্রিয়া। ফিড উৎপাদনের ব্যবহৃত বিভিন্ন ফিড এডিটিভস ও উপকরনাদি আমদানির ক্ষেত্রে অনাপত্তি পত্র ইস্যুর কারনে মাঝে মধ্যেই মাল খালাস বিলম্বিত হয়।ফলে আমদানিকৃত পণ্যের গুনগত মান হ্রাস পায় এবং বন্দরে মাল আটকে থাকায় ক্ষতিপূরণ গুনতে হয়। এখানে পৃষ্ঠাপোষকতার অভাববোধ বা অভিভাবককারীতার বিষয়টি অত্যন্ত প্রকটভাবে পরিলক্ষিত হয়। সংকট নিয়েই আমাদের চলতে হবে। 
আবার সংকট নিরসনের জন্য ও  কাজ করতে হবে। সংকট মোকাবেলার জন্য অবশ্যই এ সক্টেরের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এসোসিয়েশনকে শক্তিশালী করতে হবে। তা হলেই যে সংকট মোকাবেলা করা সম্ভব। এছাড়া সরকারিভাবে পোল্ট্রি, ডেইরী, ফিশারী খাতকে সহযোগিতা করার জন্য ‘ ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ প্রদান করা খুবই জরুরী হয়ে উঠেছে। সরকার এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিলে সেক্টরে লাভবান হবে। একটি বোর্ড গঠন করে ‘ প্রাইভেট-পাবলিক- র্পাটনারশীপ’ কনসেপ্টের আলোকে ‘ওয়ানস্টপ সার্ভিস’ নিশ্চিত করার বিষয়টি দুরূহ কাজ নয়।

পোল্ট্রির জন্য আমদানিকৃত পন্য ছাড়করনে প্রতিবারই পরীক্ষাগারে পরীক্ষাসহ বিভিন্ন হয়রানি বন্ধে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।  একজন ব্যবসায়ী পোল্ট্রি উৎপাদনের জন্য যেসব কাচাঁমাল আমদানি করেন তা তাকে বার বারই টেস্ট করাতে হয়। তাই প্রতিবারই আমদানির সময় এসব কাচাঁমাল ল্যাব টেস্টে পাঠাতে হয়। এতে মাল ছাড়করনে বিলম্ব হয়, ডেমারেজ দিতে হয়, ভোগান্তিতো আছেই। 
তিনি এ জন্য পোল্ট্রির সাথে সংশ্লিষ্ট পন্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি নীতিমালায় পরিবর্তন খুবই প্রয়োজন। ঔষধ প্রশাসন, ডিএলএস, কাস্টমস ইত্যাদিসহ বিভিন্ন অথরিটির সহযোগিতা পেলে অধিকতর সাশ্রয়ী মূল্যে খামারীদের ভ্যাকসিন, ভিটামিন, প্রিমিক্স, ঔষধ পত্র ও বিভিন্ন ফিড এডিটিভস্ সরবরাহ করা যাবে। এসব অবস্থার উত্তরনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুলিখন ঃ হাসিব কামাল

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


61, Joarsahara (1st floor), Dhaka-1000
Copyright © 2017 monthly Poultry Khamar Bichitra. All Right Reserved.