শুক্রবার || ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ || ৯:৩৪:২৩ অপরাহ্ন

interview

পোল্ট্রি পণ্যের ডিমান্ড ও সাপ্লাই সাইডকে আরো শক্তিশালী করতে হবে

প্রকাশ: সোমবার || মার্চ ১১ ২০১৯ || ১:১৭:৫৭ PM

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

অপার সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখার জন্য পোল্ট্রি খাতের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ কমানো এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সম্ভাব্য প্রতিকূলতা চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। ক্ষুদ্র খামারী ও বড় উদ্যোক্তাদের মধ্যে উইন উইন পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। ডিমের চাহিদা আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। হাউসহোল্ড ইনকাম এন্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভের রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১০-২০১৬ মেয়াদে ডিমের মাথাপিছু কনজাম্পশন ৭.২ গ্রাম থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩.৫৮ গ্রাম। এই মেয়াদে গরুর গোশতের কনজাম্পশন ১০ শতাংশ ও মাছের কনজাম্পশন ২৬ শতাংশ বেড়েছে কিন্তু ডিমের কনজাম্পশন বেড়েছে ৮৮ শতাংশ।  বিপিআইসিসি’র হিসাব মতে দেশে বর্তমানে ডিমের বাণিজ্যিক উৎপাদন দৈনিক প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ। 
আমাদের মনে রাখতে হবে বাজারে ডিম ও মুরগির মাংসের যে স্বাভাবিক চাহিদা ছিল তা মোটামুটিভাবে পূরণ হয়েছে। যে শূণ্যতা ছিল সেটিও পূরণ হয়েছে। আগের মত ২০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি এখন আর সম্ভব নয়। আগামীতে প্রবৃদ্ধির হার আরও কমবে। তাই ইনক্লুসিভ গ্রোথের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। ডিমান্ড ও সাপ্লাই সাইডকে অনেক বেশি শক্তিশালী করতে হবে।
 ভোক্তাদের মাঝে আস্থা তৈরি করতে হবে। সামগ্রিক বিচারে পোল্ট্র্রি শিল্পের দক্ষতা আরও বাড়াতে হবে। সকলে মিলে একই সুরে কথা বলতে হবে, কাজ করতে হবে, বিপিআইসিসি’র পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পোল্ট্র্রি শিল্পের দ্বিতীয় ধাপে পৌঁছাতে হলে আগামী ২-৩ বছর বিভিন্ন ধরনের পুণর্বিন্যাসের প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য একদিকে যেমন অর্থের প্রয়োজন হবে তেমনি অন্যদিকে প্রত্যেকের নেটওয়ার্কগুলোকে সর্বাত্মকভাবে কাজে  লাগাতে হবে।
পোল্ট্রি উৎপাদন কর্মকান্ড কৃষির অন্তর্ভূক্ত হলেও অজ্ঞাত কারনে ব্যাংক ঋণের সুদ এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা সুবিধা বঞ্চিত হচ্ছি। ট্যাক্স, ভ্যাট, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে পোল্ট্রি ফিড উৎপাদনের উপকরণ সমূহের দাম বৃদ্ধিসহ ব্যাংকের সুদহার বাড়ার কারনে ফিড উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে। অথচ ডিম ও ব্রয়লার মাংসের দাম কমছে।
 পোল্ট্রি উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে আরোপিত বিভিন্ন বিধি নিষেধের কারনে সৃষ্ট বিড়ম্বনা মোকাবেলার উপায় খুঁজে বের করতে হবে। বিদ্যমান সমস্যাসমূহ সংশিষ্ট সকলের মাঝে জোরালোভাবে উপস্থাপন করতে হবে, সমস্যার সমধান করতে হবে।
আগামী দিনের প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন (মাছ, মাংস, ডিম) প্রক্রিয়ায় ফিড সেক্টরে বিরাজমান সমস্যা সমূহ সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে সেগুলো নিরসনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের   জন্য এই সেক্টরের সাথে যারা জড়িত তাদেরকেই উদ্যোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, বেসরকারী শিল্প উদ্যোক্তাদেরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুলিখন ঃ কামাল আহম্মদ 

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


61, Joarsahara (1st floor), Dhaka-1000
Copyright © 2017 monthly Poultry Khamar Bichitra. All Right Reserved.