শুক্রবার || ৬ ডিসেম্বর ২০১৯ || ৯:২১:৫১ অপরাহ্ন

Disease

পোল্ট্রি খামার জীবাণুমুক্তকরণ ও স্বাস্থ্য বিধি

প্রকাশ: বুধবার || সেপ্টেম্বর ২৬ ২০১৮ || ৫:৩২:৪২ AM

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

নিবিড় পোলট্রি পালন পদ্ধতিতে রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাস্থ্য বিধি ঐুমরবহব পালন ও জীবাণুমুক্তকরণ উরংরহভবপঃরড়হ বলতে বুঝায়- বিভিন্ন প্রকার রাসয়ানিক বস্তু ও ভৌত উপায় প্রয়োগে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ফাংগাস ইত্যাদি রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংশ করা। আর এ সকল রোগ জীবাণুর খামার প্রবেশের পথে বাধা সৃষ্টি করা এবং খামারের ভিতরে ও বাহিরে সংক্রমিত বস্তু বিস্তৃতি রোধ করাই স্বাস্থ্য বিধি পালনের উদেশ্য। তবে জীবাণুমুক্ত করণের সুফল লাভের স্বাস্থ্যবিধি পালন অপরিহার্য। কেননা জীবাণুমুক্তকরণ ও স্বাস্থ্য বিধি পালন একে অপরের সম্পুরক।
পোলট্রি হাউজ জীবাণুমুক্ত করণ
হাউজ জীবাণুমুক্তকরণ হলো প্রধানত হাউজে নতুন পাখী উঠানোর পূর্বে হাউজ খালি করে ইহার অভ্যন্তরভাগ জীবাণুমুক্ত করা। ইহাকে “প্রান্তিক জীবাণুমুক্ত করণ” ঞবৎসরহধষ ফরংরহভবপঃরড়হ ও বলা হয়। এ মূল উদেশ্য হলো হাউজ জীবাণুমুক্ত পূর্বে নিম্মোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে।
(ক) সম্ভাব্য রোগ জীবাণুর উপস্থিতি ও উহার তাৎপর্য ঃ যে ক্ষেত্রে খামারে পূর্ববর্তী ঝাঁকে কোন নির্দিষ্ট রোগের আক্রমণ হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে ধরে নেয়া হয় যে খামারে ঐ জীবাণু বিদ্যমান। তাই ঐ জীবাণুর ধরণ অনুযায়ী জীবাণুমুক্ত করণ রোগের লক্ষণ না দেখা গেলেও লুকায়িত জীবাণুমুক্ত সংক্রামণে উৎপাদন ব্যহত হয়। তাই জীবাণু ও সকল প্রকার খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা জন্য জীবাণুমুক্ত করণ অত্যন্ত অর্থবহ। আবার রোগে আক্রান্ত হতে পারে এমন ঝাঁককে অনেক সময় সিমিত বা নিম্ম মাত্রার জীবাণুমুক্ত সংস্পর্শে রাখা হয় (যেমন ককসিডিওসিস) প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টির উদেশ্য। ইহা একটি ব্যতিক্রম ধর্মী রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা। তবে ইহাতে প্রচুর ঝুঁকি ও আছে।
(খ) রোগের প্রতি নতুন পাখীর সংবেদনশীল ঃ রোগের ধরণ ও পাখীর আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ও জীবাণুমুক্ত করনকে প্রভাবিত করে যেমন কোন না কোন উপায় অর্জিত রোগ প্রতিরোধ শক্তিমত্তা ওসসঁহরঃু সম্পন্ন ঝাঁক; নির্দিষ্ট মাত্রা (সংখ্যা) পর্যন্ত জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত  হয় না। এক্ষেত্রে আংশিক জীবাণুমুক্তকরণ ও ফলপ্রসু হয়।
(গ) জীবাণুমুক্ত করনের পর হাউজ পুনরায় সংক্রামিত হওয়ার সম্ভবনা কিছু কিছু রোগ জীবাণু যেমন ঃ ককসিডিয়া, ই, কলাই যে কোন খামারে স্থায়ীভাবে থাকার সম্ভাবনা খুব বেশী। কারণ এগুলো মুরগীর সহজাত জীবাণু। 
তাই এ সকল জীবাণুর সমূলে উৎপাটনের চেষ্টা অবাস্তব। আবার কিছু কিছু রোগ জীবাণু খাবারের মাধ্যমে অথবা নতুন বাচ্চার মাধ্যমে ঊমম নড়ৎহব খামারে সংক্রামিত হয়।
(ঘ) জীবাণুমুক্তকরণে হাউজের নির্মাণ কৌশল এর প্রভাব ঃ একটি হাউজ ভালভাবে পরিস্কার করে জীবাণুনাশক দ্বারা কার্যকারীভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হলে নিম্মোক্ত নির্মাণ কৌশল অনুসরণ করা উচিত।
১।  স্প্যান টাইপের হাউজ নির্মাণ করে লিটার বা অন্যান্য সারঞ্জাম পরিস্কারের জন্য সহজে আনা নেওয়া করার ব্যবস্থা     রাখাতে হবে।
২। হাউজ তৈরির উপকরণ গুলো এমন হবে যাতে ধুলা বালি বা ময়লা জমে থাকে না।
৩।  বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা পর্যাপ্ত হতে হবে।
৪।  দেওয়ালের ভিতরের দিক যতদূর সম্ভব মসৃণ রাখতে হবে।
৫।  বৈদ্যুতিক ফিটিংস গুলো পানি নিরোধক হতে হবে।
৬।  যে সমস্ত ফাটল বা গর্তে ময়লা/পানি জমে থাকতে পারে যে গুলো বন্ধ করতে হবে।
৭। কাঁচা মেঝের চাইতে কংক্রিটের মেঝে জীবাণুমুক্ত করণ অনেক সুবিধাজনক।
জীবাণুমুক্ত করণ পদ্ধতি 
পরিস্কার করা ঃ পরিস্কার করার প্রথম ধাপ হলো হাউজের উপরি ভাগের ময়লা ঝেড়ে লিটারের বা মেঝের উপর ফেলে পরে লিটার বা ময়লা সরিয়ে দুরবর্তী নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে। এর আগে হাউজের সকল সারঞ্জাম অবশ্যই সরিয়ে ফেলতে হবে। সংক্রমিত লিটার যাতে ফার্ম এলাকায় ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য সাবধানত অবলম্বন করতে হবে। লিটার বের করার আগে লিটারের উপর জীবাণুমুক্ত স্প্রে করে নিলে জীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা কমে যায়। লিটার সরানোর পর পর্যাপ্ত পানি দিয়ে মেঝে ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এর পর মেঝেতে ও দেওয়ালে জীবাণুমুক্ত স্প্রে করতে হবে।
রাসায়নিক জীবাণুমুক্তকরণ ঃ খামারে যে কোন ধরনের জীবানুমুক্তকরনের জন্য ব্যবহৃত জীবাণুমুক্ত হিসাবে নিম্মোক্ত রাসায়নিক ঔষধগুলো পাওয়া যায়। কার্যকারীতার দিক থেকে বিবেচনা করে ও ব্যবহারের ক্ষেত্র বুঝে সবচেয়ে উপযোগী জীবানুমুক্তটি ব্যবহার করা উচিত বলে মনে করি।
১) কার্বলিক এসিড (৫%) বা ফেলন
২) পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট (২%) বা পটাশ
৩) কপার সালফেট (৫%) বা তুঁতে
৪) ফরমালিন ৪০% বা ফরমালিন ডিহাউজ
৫) হালামিড, এনটেক, সুপারসেপ্ট, আয়োসান, সেভলন, ডেটল, ব্লিচিংপাউডার ইত্যাদি।
সারঞ্জামাদি যেমন ড্রিংকার ফিডার এবং ঈধমব ইত্যাদি পরিস্কার করার পর ৫% ব্লিচিং দ্রবণ বা ২% কাপড় কাচার সোডা বা ২% ফরমালডিহাউজ দ্বারা জীবাণুমুক্ত করা যায় হাউজ জীবাণু মুক্তকরনের জন্য পরিস্কার করার পর মেঝের উপর ফেলন হাকলাভাবে স্প্রে করার পর অথবা সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড (১০০ লিটার গরম পানিতে) (১/২) কেজি দ্বারা ধোয়ার পর নতুন লিটার বিচিয়ে ফরমালিন দ্বারা ফিউমিগেশন ঋঁসরমধঃরড়হ করা হয়। ফরমালিন  বা ফরমালডিহাউজ (৪০%) দ্বারা ফিউমিগেশন করা অন্য যে কোন পদ্ধতিতে চাইতে কার্যকরী, কারণ এ ক্ষেত্রে পটাশ মিশিয়ে অথবা তাপ দিয়ে ফরমালিনকে গ্যাস-এ রূপান্তরিত করে। এই গ্যাস হাউজের আনাচে কানাচে প্রবেশ করে জীবাণু ধ্বংশ করে।
ফিউমিগেশন পদ্ধতি ঃ কোন হাউজের আয়তন যদি ৩৩০ ঘন মিটার পর্যন্ত হয় তবে-২০ মিলিলিটার ফরমালিন +১৪ গ্রাম পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট প্রতি ঘণ মিটার হিসাব। অথবা-৩৬০ গ্রাম প্যারাফরমা ডিহাউজ প্রতি ১০০ ঘণ মিটার হিসাব তাপ দিয়ে গ্যাস সৃষ্টি করে। অথবা ২৭৫-৫০০ মিলিমিটার ফরমালিন সমপরিমান পানির সহিত মিশিয়ে প্রতি ১০০ ঘনমিটার জায়গায় এরোসোল স্প্রে করে জীবাণু মুক্ত করা যায়। যে ক্ষেত্রে হাউজের আয়তন ৩৩০ ঘণ মিটারের বেশী সে ক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত জায়গায় পরিমান ঠিক রেখে রাসায়নিক বস্তুগুলো অর্ধেক মাত্রায় ব্যবহার করতে হয়।
ফিউমিগেশন করার প্রক্রিয়ার সতর্কতা ঃ 
১) ফরমালিন ব্যবহার সময় হাতে রাবারের গ্লোভস্ পরা উচিৎ।
২) ফরমালিন ও পটাশের মিশ্রেণের ফলে তাপের সৃষ্টি হয় তাই ধাতব পাত্রে মিশাতে হবে এবং আগুনের ঝুঁকি থেকে সাবধান থাকবে হবে। 
৩) একটি পাত্রে ১ লিটারের বেশী ফরমালিন  রাখা যাবেনা এবং  পাত্রটির ধারণ ক্ষমতার দ্বিগুন হতে হবে।
৪) পাত্রটি/পাত্রগুলো জায়গায় পরিমান অনুযায়ী হাউজে সাজিয়ে উহাতে পরিমান মত পটাশ দিয়ে রাখতে হবে।
৫) এবার পটাশের সহিত ধীরে ধীরে  ফরমালিন মিশাতে হবে। এর আগে হাউজটিকে যতদূর সম্ভব বায়ু চলাচল রোধক অরৎঃরমযঃ করতে হবে।
৬)   হাউজের সামনে “ফিউমিগেশন চলছে ” এই মর্মে নোটিশ টানিয়ে রাখতে হবে।
৭) হাউজে কাজ করার সময় অথবা বাচ্চা  আনার পূর্বে বায়ুচলাচল সম্পূর্ণভাবে চালু করতে হবে।
হাউজ ফাঁকা রেখে জীবাণুমুক্ত করণ ঃ 
“প্রান্তিক জীবাণুমুক্তকরণে” পর হাউজ কিছুদিন ফাঁকা রাখলে বিভিন্ন প্রকার জীবাণু পাখীর অবর্তমানে মারা যায়। ফলে হাউজে আরও ভালভাবে জীবাণুমুক্ত হয়। তবে এই উদেশ্য অনেক দিন যাবৎ হাউজে ফাঁকা রাখা অর্থনৈতিকভাবে সুবিধাজনক নাও হতে পারে।
পোলট্রি খামারের স্বাস্থ্য বিধি ঃ
পোলট্রি হাউজে জীবাণুমুক্তকরণের পর যদি খামারের পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি পালন না করা হয় তবে জীবাণুমুক্ত করণের সূফল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। স্বাস্থ্যবিধি পালনের মূল উদেশ্য হলো জীবাণুমুক্ত হাউজে বাহিরের কোন উৎস থেকে রোধ করা ও হাউজের ভিতর কোন উৎস সংক্রামক রোগ দেখা দিলে তা অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে না দেওয়া।
বাহিরের উৎস থেকে সংক্রামণ রোধ করা ঃ রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণ পশুপাখি ও মানুষের মাধ্যমে অথবা যে কোন প্রকার সংক্রামিক বস্তুর মাধ্যমে খামারের প্রবেশ করতে পারে। তাই এ ধরনের সংক্রমণ রোধ কল্পে বিবেচ্য বিষয় গুলো হলো-
(ক) মশা, মাছি, পোকা মাকড়, ইদুঁর ছুঁচো ইত্যাদি শরীরের ভিতরে /বাহিরের জীবাণু বহন করে, হাউজে ছড়াতে পারে। তাই হাউজ তৈরীর সময় এগুলোর চলাফেরা বন্ধের ব্যবস্থা রাখতে হবে এবং হাউজের কাছাকাছি জায়গায় সৃষ্ট বংশ বৃদ্ধির জায়গাগুলো ধ্বংশ করে দিতে হবে।
(খ) খামারের রোগ ছড়ানোর অন্যতম ম্ধ্যাম হলো মানুষ। খামারের কর্মী অথবা আগন্তুকের মাধ্যমে রোগ জীবাণু খামার থেকে খামারের, হাউজ থেকে হাউজে সহজেই ছড়াতে পারে। তাই যে কোন পরিদর্শদককে খামারের বা হাউজে সরাসরি প্রবেশ করতে পারে। কর্মীদের জন্য খামারের বা হাউজের বাহিরে হাত পা ধোয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে, এবং হাউজের ক্ষেত্রে ভিতরে কাজ করার জন্য আলাদা পোশাক, টুপি, বুট ইত্যাদি হাউজের প্রবেশ মুখে রাখতে হবে। একাধিক হাউজের ক্ষেত্রে একজন কর্মীদের জন্য খামারের কাজ করতে দেওয়া উচিৎ। ছোট খামারের যদি একজনেরই বিভিন্ন হাউজে কাজ করতে হয় তবে প্রথমে কম বয়স্ক মুরগির হাউজে শুরু করে পরে সুস্থ মুরগির হাউজে সর্বশেষে রোগাক্রান্ত হাউজে কাজ করতে হবে। এছাড়া খামারের প্রবেশ মুখে ও হাউজের প্রবেশে মুখে ফুটবাথ রাখা যায়। তবে এধরনের ফুটবাথ পরিমানমত জীবাণুনাশক সর্বদাই রাখতে হবে।
(গ) বণ্য পাখী যেমন কাক, বাদুর ইত্যাদি রোগ জীবাণু স্থানান্তরের জন্য অন্যতম কার্যকরী মাধ্যমে। তাই হাউজ তৈরির সময় এগুলো যাতে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। আর এ ধরনের বণ্যপাখী যাতে হাউজের বাহিরে পানির আধার, খাবারের বা লিটার সংক্রামিত না করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। পোলট্রি খামার লিটার ইত্যাদি থেকে সৃষ্ট ধুলি কণা জীবাণু সংক্রমন ছড়ানোর মাধ্যমে হতে পারে। তাই এক খামার থেকে অন্য খামার নিরাপদ দুরত্বে স্থাপন করতে হবে এবং একই খামার প্রতিটি হাউজের মধ্যে দুরত্ব কমপক্ষে ৩০ ফুট রাখতে হবে।
হাউজের ভিতর জীবাণুর বিস্তার নিয়স্ত্রণ ঃ
আমাদের দেশের পোলট্রি হাউজের ধরণ অনুযায়ী হাউজের ভিতর সংক্রামণ অত্যন্ত কঠিন। তবে কিছু কিছু বিষয় বিবেচনা করে বিস্তৃতির হার কিছুটা কমানো যায় যেমন-
(ক) হাউজে যদি পাখীর ঘনত্ব বেশী হয় তবে শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে জীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই জায়গা অনুযায়ী পাখীর সংখ্যা ঠিক করতে হবে। পর্যাপ্ত খামার ও পানির পাত্র দিতে হবে। শীতকালে পাখী যাতে এক জায়গায় জড়ো হয়ে না থাকে সে জন্য হাউজের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।
(খ) খাবার ও পানির পাত্র যাতে সহজেই মল মূত্র দ্বারা সংক্রামিত না হয়ে সে ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষ ধরনের পাত্র ব্যবহার করা যায়।
(গ) লিটারের নিয়মিত পরিচর্যা করে লিটারের গভীরতা ও আর্দ্রতা নিরোধক গুণাগুণ বজায় রাখতে হবে।
(ঘ) অসুস্থ পাখীকে আলাদা জায়গায় সরিয়ে নেওয়া ভাল। মৃত পাখী যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরিয়ে ফেলে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করতে হবে। 
(ঙ) হাউজের রোগ ব্যাধির চাপ কমানোর জন্য তাপমাত্রা, বায়ুচলাচল ও পুষ্টি সরবরাহ সঠিকভাবে হওয়া অত্যাবশ্যক। 

Share on Facebook   Share on Twitter   Leave Your Comment  Share via Email  Google Plus 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


61, Joarsahara (1st floor), Dhaka-1000
Copyright © 2017 monthly Poultry Khamar Bichitra. All Right Reserved.